'বিশ্বমন্দায় ভালো থাকা ৪টি দেশের একটি বাংলাদেশ' |
|
|
Sat, Oct 24th, 2009 8:50 pm BdST |
Dial 2000 from your GP mobile for latest news |
|
|
|
ঢাকা, অক্টোবর ২৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিশ্ব অর্থনীতির চলমান মন্দার মধ্যেও সুদৃঢ় অর্থনীতির চারটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান। শনিবার ধানমন্ডিতে বেসরকারী ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত 'বিশ^ অর্থনৈতিক মন্দা: কারণ, মূল্যায়ন ও করনীয়' শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, "বিশ^ মন্দা সত্ত্বেও যে কয়টি দেশ অর্থনৈতিকভাবে ভালো করেছে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশ একটি।" ভারত, চীন ও ব্রাজিল ভালো থাকা অন্য তিনটি দেশ জানিয়ে গর্ভনর বলেন, "এটা আমাদের জন্য গৌরবের বিষয়।" কয়েকদিন আগে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভা ও কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে গভর্নর বলেন, "দুটি সম্মেলনেই বিশ্বমন্দা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। "সব দেশের প্রতিনিধিরাই স্বীকার করেছেন, বিশ্বমন্দার টালমাটাল অবস্থায় প্রায় সব দেশের অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও চীন, ভারত, ব্রাজিল ও বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ সুদৃঢ় অবস্থায় রয়েছে।" বাংলাদেশের এ সাফল্যের পেছনে কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, "কৃষকরাই হচ্ছে আমাদের প্রকৃত নায়ক। যদি কোনো কৃষকের হাতে তার রোজগারের চেয়ে অতিরিক্ত পাঁচশ' টাকা দেওয়া যায়, তাহলে একজন কৃষক হয় তাঁর স্ত্রীর জন্য একটি শাড়ি কিনবেন, আর নয়তো চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। "উৎপাদনের পাশাপাশি এভাবেই দেশের ভেতর অভ্যন্তরীন চাহিদা তৈরিতেও কৃষকরা বড় অবদান রাখছেন।" গভর্নর জানান, মন্দার মধ্যেও ভালো থাকা চারটি দেশ ছয় শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের শক্তিশালী ভীতের কারণেই বিশ^ মন্দার খুব বেশি প্রভাব আমাদের দেশে পড়েনি মন্তব্য করে তিনি বলেন, "এরাই হচ্ছে আমাদের দেশের প্রধান শক্তি।" ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ^বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সবুর খান। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়া অর্থনৈতিক গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আরিফ। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও এম শাহজাহান। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এআরএইচ/এসএইচ/২০৪০ ঘ. |
| WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action. |
|
|
|
|