নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল নতুন এক রাষ্ট্রের- যার নাম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার সেই সংগ্রামে শহীদ হন বহু মানুষ, ক্ষতিগ্রস্ত হন কমবেশি সবাই। কিন্তু সেই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের মালিক হয় বাঙালি। নানা বাধা, প্রতিকূলতার পরও বাংলাদেশ এগিয়ে চলে সামনের দিকে, এগিয়ে চলে এই ভূ-খণ্ডের মানুষ।
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ফিরে তাকাচ্ছে সেইসব দিনগুলোতে- যখন কোলের শিশুকে সঙ্গে নিয়ে দেশ বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমেছিলেন মা। যখন ভীনদেশি বন্ধুরাও ৭ কোটি বাঙালির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল, স্বাধীন হওয়ার স্বপ্নকে সত্যি করতে যুগিয়েছিল সাহস।
আলোকচিত্রে মুক্তিযুদ্ধ ও বিদেশি বন্ধুরা
মা-বাবার নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধে গেছেন এমন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন অগুনতি। দেশমাতৃকার টানে কেউবা যুদ্ধে গেছেন লুকিয়ে লুকিয়ে। আর একই পরিবারের সবাই গেছেন যুদ্ধে- এমন বীরগাথাও কম নয়। তবে, পাঁচ মাসের শিশুসন্তান কোলে কোনো মা মুক্তিযুদ্ধে গেছেন, এমন গৌরবোজ্জ্বল কাহিনী কি খুব একটা মেলে? নিভৃতচারী এই মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ জাহান বেগমের কথা শোনাচ্ছেন আবু সুফিয়ান।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর এলো চূড়ান্ত বিজয়। নয় মাস যুদ্ধের পর এই বিজয়ক্ষণটি কেমন ছিল, জানতে চেয়েছিলাম কজনের কাছে। কথা বলেছেন, ড. মেজর (অব.) আখতার আহমেদ, বেবি মওদুদ, ডানা কবির, শিরিন হক, আবু জামিল ও খুকু আহমেদ। তাদের কেউ ছিলেন রণাঙ্গনে, কেউ ঢাকায়, আবার কেউ কলকাতায়। যেখানেই থাকুক বিজয় আনন্দের ওই মুহূর্তটা তাদের ধরা আছে টলটলে চোখের জলে। একান্ত আপন অনুভবে।


